বিআরডিবি’র কার্যক্রমের অন্যতম কৌশল হলো পল্লী অঞ্চলের ক্ষুদ্র ও মাঝারী কৃষক, বিত্তহীন পুরুষ ও মহিলাদেরকে সমবায় সমিতি এবং অনানুষ্ঠানিক দলের মাধ্যমে সংগঠিত করে পুঁজি গঠন, আয়বৃদ্ধিমূলক কর্মকান্ডে প্রশিক্ষণ প্রদান, আর্থিক স্বাবলম্বী ও স্ব-কর্মসংস্থানের জন্য ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, নারীর ক্ষমতায়ন, সম্প্রসারণ কার্যক্রমের মাধ্যমে টেকসই প্রযুক্তি হস্তান্তর, উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ সাধন।কৃষি উন্নয়নের পাশাপাশি সমাজের অধিকতর উন্নয়নের ব্রত নিয়ে দারিদ্র্য বিমোচন, আয়বর্ধনমূলক কর্মসূচি, গ্রামীণ নেতৃত্বের বিকাশ সাধন ও নারীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে কার্যক্রম সম্প্রসারণ করে পল্লী অঞ্চলের কৃষি ও অকৃষি খাতে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি এবং গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠী নিজস্ব পুঁজি ও মূলধন গঠনে উৎসাহী করা। মানবসম্পদ, নেতৃত্ব, সংগঠন ও নেটওয়ার্কিংএ কার্যক্রমের মাধ্যমে পল্লীর মানুষের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, দারিদ্র্য বিমোচন, সামগ্রিক জীবনমান উন্নয়নের সাথে সাথে সামাজিক মূলধন গঠন, জনগণের ক্ষমতায়ন, পল্লীর আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নের অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন এবং পল্লী উন্নয়নে পরিকল্পনা প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও ফলাফল মূল্যায়নে জনগণের সক্ষমতা বৃদ্ধি বিআরডিবি সার্বিক সহায়তা প্রদান ও সমন্বয় সাধন করে সামগ্রিক ও সমন্বিত পল্লী উন্নয়নে বিআরডিবি’র চলমান প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা এবং উন্নয়নের নতুন নতুন কৌশল প্রণয়নে বিআরডিবি’র উদ্ভাবনী কার্যক্রম ভবিষ্যতে আরো বেগবান করা।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস